রক্তস্নাত শহীদে কারবালা

0 /5.0 (0 reviews)
People are viewing right now
Pricing
৳185.00 /Pcs
৳250.00
-26%

In stock

Minimum order qty 1

seller

Inhouse product

Message Seller
  • warranty check circle Cash on Delivery Available
Nameরক্তস্নাত শহীদে কারবালা
Author বকুল 
Publisher ইমামিয়া চিশতীয়া পাবলিশার 
Edition 3rd Printed 2015
Number of Pages142 
Countryবাংলাদেশ 
Languageবাংলা 
Summary 

মুসলমান জাতি বিভিন্ন দলে ও মতে বিভক্ত। এই মতভেদের একমাত্র কারণ হল, আহলে বাইতকে অস্বীকার করা। ১৮ জিলহজ্ব ১০ হিজরী ২১ মার্চ ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে নবি করিম (আ) কর্তৃক; গাদিরে খুমে মাওলা আলী (আ)-এঁর প্রতিনিধিত্ব ঘোষণা করা হয়। আর এই ঘোষণাকে মেনে না নেয়ার কারণে একটার পর একটা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। মাওলাইয়াতকে অস্বীকারের ফলে খেলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়। আর উমাইয়া এবং আব্বাসীয় খলিফাগণ নবি করিম (আ) ঘোষিত ইমামগণের উপর বিভিন্নভাবে হত্যা নির্যাতন চালায়। উমাইয়া খলিফাগণ ৮৯ বৎসর এবং আব্বাসীয় খলিফাগণ ৫০৮ বৎসর মুসলিম জাতিকে শাসন করেছে। তারা দীর্ঘ ৫৯৭ বৎসর ক্ষমতায় ছিল। ১২ জন ইমামের মধ্যে ১১ জনকেই হত্যা করা হয়। শুধু মাত্র ইমাম মেহেদী (আ) ২৭৩ হিজরীতে গায়েব হয়ে যান। এই ইমামগণকে কখন কিভাবে হত্যা করা হয়; উহার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা অত্র গ্রন্থে আলোচনা করা হয়েছে। মাওলা হোসাইন (আ) ইমামগণের মধ্যে তিন নম্বর ইমাম। নবি করিম (আ) এঁর নাতী এবং মাওলা আলী (আ) ও মা ফাতেমা (আ) এঁর সন্তান। তিনি ছিলেন আধ্যাত্মবাদী সত্য ও ন্যায়ের প্রতীক মুসলমানদের হেদায়েত দাতা। আর ইয়াজিদ হল, আবু সুফিয়ানের নাতী। এই আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দা নবি করিম (আ) এঁর চাচা আমির হামজার (রা) বুক ছিঁড়ে কাঁচা কলিজা মুখে চিবিয়ে ছিল। এই ঘরের সন্তান মুয়াবিয়া আর তার কুখ্যাত সন্তান হল ইয়াজিদ। সে মুয়াবিয়া কর্তৃক খলিফা নির্বাচিত হয়। মাওলা হোসাইন (আ) তাঁর ৭২ জন সদস্য নিয়ে কারবালায় ইয়াজিদ কর্তৃক নির্মমভাবে শহীদ হন। আসলেম শব্দ হতে মুসলিম শব্দটি এসেছে। আসলেম অর্থ আত্মসমর্পণ অর্থাৎ আসলেম ব্যতীত মুসলিম হওয়া যায় না। মুসলমান হতে হলে একজন আলে রাসুল কামেল অলি আল্লাহর নিকট বাইয়াত অর্থাৎ নিজেকে সমর্পণ করতে হয়। সমর্পণ হতে হয় পরিপূর্ণরূপে। আল-কোরানে বলা হয়েছে-এবং ইব্রাহীম ও ইয়াকুব ইহা দ্বারাই (অর্থাৎ এই আদর্শ দ্বারাই) অসিয়ত করিয়াছিলেন: “হে আমার পুত্রগণ, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য মনোনীত করিয়াছেন এই দ্বীনকে (বা বিধানকে), সুতরাং আত্মসমর্পণকারী না হইয়া মরিও না।” সূরা বাকারা (আয়াত নং ১৩২) মাওলা হোসাইন (আ) ও ইয়াজিদের মধ্যে বিরোধ ছিল আনুগত্যের অর্থাৎ আত্মসমর্পণের। আহলে বাইতগণ কখনও কুফরীর নিকট আনুগত্য করতে পারেন না। তাই মাওলা হোসাইন (আ) ইয়াজিদকে খলিফা হিসেবে স্বীকৃতি দেন নাই। বরং নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। কারবালার ঘটনা ছিল সত্য এবং মিথ্যার লড়াই যা বর্তমানেও অব্যাহত আছে। মুসলিম বিশ্বে প্রধানত দু'টি পথ রয়েছে-একটি হল, আহলে বাইতগণ ও তাঁদের নীতি আদর্শ অপরটি হল, খলিফাগণ এবং তাদের নীতি আদর্শ। মাওলা হোসাইন (আ) এঁর আদর্শের কোন মুসলমান ইয়াজিদি আদর্শের নিকট আনুগত্য করতে পারেন না। আহ্লে বাইত ও পাক পাঞ্জাতন সদস্য মাওলা হোসাইন (আ) এঁর আদর্শই ধর্ম এবং ইসলাম। ইয়াজিদি ধর্ম এবং আদর্শ কখনও মুসলমানদের সঠিক পথ ও হেদায়েত দিতে পারে না। এই গ্রন্থে সত্য ও ন্যায়ের প্রতীক মাওলা হোসাইন (আ) এঁর জীবনী এবং বস্তুবাদী ক্ষমতালোভী লম্পট ইয়াজিদের বিষয় নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তারপর মা জয়নবের (আ) ভাষণ ও ইমাম হোসাইন (আ) এঁর একটি ভাষণ বর্ণনা করা হয়েছে। সত্য ও সঠিক পথ খুঁজে পেতে সত্য সন্ধানী মানুষের জন্য এই গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অত্র গ্রন্থটি নতুন আঙ্গীকে আরও বর্ধিত আকারে পুনর্মুদ্রণ করা হল। সকলেই সত্য সুন্দর ও সুপথের প্রতীক হউক এই কামনা করি।

Reviews & Ratings

0.0

Total Review 0

No reviews found!

Product Queries (0)

Login Or Registerto submit your questions to seller

Other Questions

No queries have been asked to the seller yet

Frequently Bought Together

No frequently bought products found!

Products from this Seller

View All
All categories
Flash Sale
Todays Deal