রক্তাক্ত ইংরেজ শাসন (দ্বিতীয় খণ্ড)

0 /5.0 (0 reviews)
People are viewing right now
Pricing
৳730.00 /PCs
৳999.00
-27%

In stock

Minimum order qty 1

seller

Inhouse product

Message Seller
  • warranty check circle Cash on Delivery Available
Nameরক্তাক্ত ইংরেজ শাসন (দ্বিতীয় খণ্ড) 
Authorজিবলু রহমান 
Publisherপ্রিয়মুখ 
Edition1st Published, 2023
Number of Pages556 
Countryবাংলাদেশ 
Languageবাংলা 
Summary

সময়ে প্রয়োজনে মহাপরাক্রমাশীল বীর মুঘলদেরকেও একদিন বিদায় নিতে হয়েছে এই ভারতবর্ষ থেকে। যে পথে এসেছিলেন মহাবীর বাবর, সে পথেই ধূর্ত ইংরেজরা ভারত থেকে বের করে দেয়, তাড়িয়ে দেয় ভারতবর্ষের সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে। নির্বাসনে পাঠায় বার্মায়-রেঙ্গুনে। কবরের জন্য সাড়ে তিন হাত মাটি মেলেনি জাফরের। বার্মায় চিরনিদ্রায় শায়িত হন তিনি। মুঘল শাসনব্যবস্থার কৃতিত্ব, ত্রুটিবিচ্যুতি ও দোষগুণ নিরপেক্ষভাবে বিচার করলে সর্বশেষে এটা স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, এটি ছিল জনকল্যাণময় ও জনহিতৈষী শাসনব্যবস্থা। মুঘল সম্রাট আকবরকে ‘মহান শাসক’ বলা হয়। মুঘল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ছিল বিশাল, আকবরের সময় সর্বপ্রথম এই সাম্রাজ্য চারিদিকে বিস্তৃতি লাভ করে, কিন্তু আওরঙ্গজেবের সময় এর বিস্তৃতি হয় সর্বাধিক।

মুঘল শাসনের অবসানে ব্রিটিশ আমলে উঠতি ধনী লোকেরা ব্যতীত গোলামি থেকে মুক্তি চেয়েছে সবাই। তাতিয়া টোপি, আজিমুল্লাহ, লক্ষ্মী বাই, হজরত মহল অবন্তি বাই, কুয়ার সিং, আহমদউল্লাহ-কত নাম, ক্ষুদিরাম, চন্দ্র শেখর আজাদ, ভগত, প্রীতিলতা, সূর্যসেন কত প্রান্তের মানুষ! এক হয়ে সবাই অবিচল ছিল একই লক্ষ্যে।

সমুদ্রের বক্ষে উচ্ছ্বসিত তরঙ্গমালার মতো একটি ঢেউ ভেঙে যেমন আরেকটি ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়, ঠিক তেমনি ব্রিটিশ কর্তৃক এদেশের আগমনের পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে একটি দেশের স্বাধীনতা হরণ, আবার তা উদ্ধার করতে ত্যাগ ‘হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া কোনো’ বিপ্লব ছিল না। বিপ্লবের একটির সফলতার সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি বিপ্লব অনিবার্য হয়ে পড়ে। বিপ্লবের শেষ বলে কোনো কথা নেই, দেশ বলেও কোনো কথা নেই। বিপ্লবের সাফল্যও স্থায়ী নয়। তার কার্যকারিতাও অনন্ত।

ইংরেজ শাসক সৃষ্ট ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কাহিনি, নীলকর, বর্গি ও ঠগি দমনের নামে বিভিন্ন অত্যাচারের কাহিনি, জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কাহিনি, কাবুলিওয়ালাদের কবর পিটিয়ে টাকা আদায়ের কাহিনি, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী-যুদ্ধসৃষ্ট ১৯৪৩ সালের মহাদুর্ভিক্ষের কাহিনি আজও ভোলার নয়। মির কাসেমের যুদ্ধ, ফকির মজনু শাহের বিদ্রোহ, হাজি শরীয়তউল্লাহর ফরায়েজি আন্দোলন, হাজি তিতুমিরের স্বাধীনতা সংগ্রাম, ১৮৫৭ সালে অনুষ্ঠিত সিপাহিবিদ্রোহ, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা, ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ, ১৯০৬ সালে ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে বাঙালি তথা উপমহাদেশের মুসলিম-হিন্দুরা নিজেদের জন্য এক স্বতন্ত্র আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। ব্রিটিশরা এ দেশে শাসনের জন্য যে প্রশাসনিক ব্যবস্থা স্থাপন করে পরবর্তীকালে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পরও পাকিস্তানি সরকার কর্তৃক তা চলতে থাকে।

১৯৪৭ সালের পরবর্তী সময়ে তৎকালীন পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু না হওয়ার কারণে এবং দেশের প্রধান নির্বাহীর ইচ্ছানুযায়ী প্রশাসকরা কাজ করতেন।

Reviews & Ratings

0.0

Total Review 0

No reviews found!

Product Queries (0)

Login Or Registerto submit your questions to seller

Other Questions

No queries have been asked to the seller yet

Frequently Bought Together

No frequently bought products found!

Products from this Seller

View All
All categories
Flash Sale
Todays Deal